আলোচনার বিষয় নীট কাপড় ডাইং -
বাংলাদেশে অনেক গারমেন্টস আছে তাদের নিজস্ব ডাইং নেই তারা সাব কন্টাকে বাহির থেকে ডাইং করিয়ে আনে। আবার অনেকের নিজেদের ডাইংও আছে। ২০০২ সালের আগে খুব কম সংক্ষক আধুনিক ডাইংই ছিল তখন অবশ্য অনেকের বাংলা ডাইং ছিল। ঐসব বাংলা ডাইংএ বইটা দিয়ে নেড়ে রং করে ডিউব ডায়ারে অথবা রোধে শুখিয়ে ক্যালেন্ডারে ফিনিফিং করে মাল রেডি করতো। তবে রেইবো,রহমান,রহিমটেক্স,নীটকনসানের মতো হাতে গনা কয়েটা আধুনিক ডাইং ছিল ঐ সব ডাইং অটো উইনছে কাপড় রংকরে ফ্লাট ডায়ায়ে কাপড় শুকিয়ে কম্পেটটিং করে কাপড় তৈরী করে। তারপর যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বহু আধুনিক ডাইং গড়ে ওঠে ফলে ডাইং সেক্টরে অনেক সমস্যা কমে এসেছে।তার আধুনিক হিসেব বর্তমান কিছু কিছু ফ্লাট ডাইং ও গড়ে ওঠেছে অবশ্য ঐসব ডাইং এ বেশির ভাগ ল্যাকড়া কাপড়ই ডাইং হয়।ডাইং করার জন্য গারমেন্টসকে বায়ার কিছু ছোয়াস কিংবা পেন্টন নম্বর দেয় সেই ছোয়াস কিংবা পেন্টন অনুযায়ি ডাইং এ ল্যাবডিপ করার জন্য দেয়। সেই ল্যাব বায়ার এপরোপ করলে সেই সেইট অনুযায়ি প্রথমে ১০ কেজি স্যামল করে সেই সেম্পল বায়ার এপরোপ করলে বড় ব্যাচ ডাইং করার জন্য ডাইং এ পাঠায়। এত ল্যাব এত স্যামল করার পরও ডাইং এ নানারকম সমস্যা হয়।সেট না মিললে আবার রিডাইং করতে হয়। রিডাইং করলে কাপড়ের কোয়ালিটি নষ্ট হয়ে যায়।নরম হয়ে ছিড়ে যায় আর নানাবিদ সমস্যা তার পর উইনস থেকে নামিয়ে সাথে ইসকুজার না করে রেখে দিলে কাপড়ে গন্ধ হয়।আবার ইসকুজারের পর ডায়ারে দেরি করলে দাগ দাপ্পা পরে। তার পরে আসে কম্পেটিং এ সেখানেও ডায়া অনুপাতে সেপ নাদিলে ও কম্পেটিং এ সঠিক মাত্রায় পেশার না দিলে জিএস এম কম বেশি হয়। ক্রিজমার্ক পরে। আবার সিনকেস ও কন্টল হয়না। এত জামেলা তবুও মানুষ থেমে নেই কঠোর পরিশ্রম করে কাজ করেই চলছে।আবার উইনসে কাপড় থাকা অবস্থায় ডিটারজেন্ট, রং সামান্য কম বেশি হলে সমন্যাতো আছেই।এর মধ্য এনজাইম কমহলে কাপড়ের কোয়ালিটি আসবেনা আর বেশিহলে কাপড় ছিদ্রহওয়া বা জিএসএম কমে যাওয়ার সম্বাবনা থাকে।তবে কাপড়কে পিছলেভাব ও গ্লেজ আনার জন্য সিলিকন ব্যবহার করা হয়। এই সিলিকন কাপড়রের কোয়ালিটিতে বিশেষ ভুসিকা রাখে। চলমান থাকবে গারমেন্টস এর যেকোন সমস্যায় সমাধান দিতে।
চলমান পর্ব-৯


No comments:
Post a Comment